বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, লজিস্টিক ব্যয় হ্রাস এবং ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।’ দেশের ক্রমবর্ধমান কর্মক্ষম জনশক্তিকে কাজে লাগাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি অপরিহার্য এবং সরকার এ বিষয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংলাপ জোরদার করবে। এ সময় যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের আওতায় বাংলাদেশী পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান মন্ত্রী। যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত রোসি উইন্টারটন বলেন, ‘বাংলাদেশের নতুন সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি অর্জনের উদ্যোগের প্রশংসার দাবি রাখে।’